মেয়েদের যৌনাঙ্গ ফর্সা করার উপায়

 9,027 total views,  3 views today

প্রশ্নঃ আমার শরীরের রং হলো র্ফসা। হাত হয়তো মুখের চাইতে কম র্ফসা, আর অন্যান্য অংশগুলোও র্ফসা। যা দেখতে ভালই লাগে। এতকিছুর মাঝে শুধু আমার গোপন অঙ্গের স্থানটা অনেকটা কালো। এই কালো স্থানটা কি শরীরের অন্যান্য অংশের মত সুন্দর করতে পারবো। যা হয়তো বা আমার মনের মানুষের ভাল লাগবে?

ছেলেদের যৌনাঙ্গ ফর্সা করার উপায় (Process to Whiten the Men Genitalia)

উত্তর

পৃথিবীর অধিকাংশ নর-নারীর যৌনাঙ্গ ও তার নিকটবর্তী অঞ্চলের রঙ শরীরের বাকি অংশের তুলনায় খানিকটা গাঢ় হয়। এটা একটা স্বাভাবিক প্রাকৃতিক ঘটনা। তাই তোমার যৌনাঙ্গের রঙ মুখের তুলনায় কিছুটা কালো মনে হলেও সেটা নিয়ে চিন্তিত হবার কোন কারণ নেই। নিজের যৌনাঙ্গের রঙ নিয়ে একদম লজ্জাবোধ করবে না। তোমার সত্যিকারের মনের মানুষ কখওনই তোমার যৌনাঙ্গের রঙ দেখে তোমার সঙ্গ ত্যাগ করবে না। আর যদি সে সত্যিই তোমার যৌনাঙ্গের রঙ দেখে কষ্ট পায় তবে তৎক্ষণাৎ সেই মনের মানুষের সঙ্গ তোমার ত্যাগ করা উচিৎ। মনে রেখ তোমার মনের মানুষর গায়ের রঙ ফর্সা হলেও তার যৌনাঙ্গের রঙ গাঢ় হবার সম্ভাবনাই বেশি। তাই মনে হয় না সে তোমার রঙ নিয়ে কিছু মনে করবে।

বিভিন্ন পর্নোগ্রাফী মুভিতে খুব ফর্সা চকচকে যৌনাঙ্গযুক্ত নর-নারীর ছবি দেখানো হয়। ওইগুলোর অধিকাংশই কিন্তু মেক-আপের ফসল। কাজেই ওইসব দেখে যৌনাঙ্গের রঙ ফর্সা করতে বেশি আগ্রহান্বিত হওয়া একেবারেই অনুচিৎ। তবে যৌনাঙ্গ ও তার নিকটবর্তী অঞ্চল নিয়মিত পরিষ্কার করলে এমনিতেই যৌনাঙ্গ দেখতে ভাল লাগবে (তোমার ভাল না লাগলেও বিশ্বাস কর তোমার মনের মানুষের অবশ্যই ভাল লাগবে)। তবে ওখানের লোম খুব বেশি কামালে (shaving) কিন্তু ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সব থেকে ভাল হচ্ছে ট্রিমিং করা। যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য সাবান ব্যবহার করা ঠিক নয়। শুধু জল দিয়ে, বা হালকা গরম জল দিয়ে যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করাই সব থেকে ভাল উপায়। প্রয়োজন হলে জলে অল্প লবন মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। যদি খুবই ইচ্ছে করে তবে মাইল্ড সাবান যার pH মান 7 এর কাছাকাছি, ব্যবহার করতে পার। লিঙ্গের অগ্রভাগ (লিঙ্গমুন্ড), মূত্রছিদ্র, যোনি পথ, যোনিদ্বার এবং পায়ু – এইসব অঞ্চলের মিউকাস পর্দা সাবান ব্যবহারের ফলে ড্রাই হয়ে যায়। দীর্ঘদিন এমন হতে থাকলে নানান সমস্যা যেমন চুলকানি, যন্ত্রনা, জীবাণু সংক্রমণ, মলদ্বারের ত্বক ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ ইত্যাদি হতে পারে। উপরন্তু ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের ভারসাম্য সাবান ব্যবহারের ফলে বিঘ্নিত হয়, যার থেকে যৌনাঙ্গে ব্যালানাইটিস, ক্যান্ডিডায়াসিস, ভ্যাজিনাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্যেই উপরে বর্ণিত অঞ্চলে সাবান ব্যবহার না করতে বলা হয়। তবে যৌনাঙ্গের আশেপাশের অঞ্চলে সাবান ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যেন সাবান জল লিঙ্গের অগ্রভাগ, যোনিদ্বার, যোনি বা পায়ুতে না পৌঁছয়। আর সাবান কেনার সময় অবশ্যই দেখে নেবে সেটা যেন মাইল্ড সাবান হয়। আর হ্যাঁ, ওই অঞ্চলে পারফিউম, ডিওড্র্যান্ট বা ট্যালকম পাউডার একেবারেই ব্যবহার করবে না। ফর্সা করার জন্য ত্বক কখওনই ব্লীচ (to lighten skin) করবে না। হার্বাল ক্রিম ও প্রাকৃতিক ঘরোয়া উপাচার থেকেও সাবধান।

যদি যৌনাঙ্গের রঙ হঠাৎ করে পরিবর্তিত হয় তবে সেটা কোন রোগের লক্ষণ হতে পারে। বিশেষত যদি যৌনাঙ্গ দিয়ে দুর্গন্ধ বের হয়, বা ওখানে চুলকানি বা এলার্জি হয়, ব্যাথা হয়, জ্বালা করে, পুজ বের হয় ইত্যাদি, তবে অতি অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিৎ।

মেয়েদের যৌনাঙ্গ ফর্সা করার উপায়

সাবান দিয়ে কী যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করা উচিত?

যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য কোন সাবান না ব্যবহার করাই শ্রেয়। শুধু জল দিয়ে, বা হালকা গরম জল দিয়ে পরিষ্কার করাই সব থেকে ভাল উপায়। প্রয়োজন হলে জলে অল্প লবন মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। যদি খুবই ইচ্ছে করে তবে মাইল্ড সাবান যার pH মান 7 এর কাছাকাছি, ব্যবহার করা যেতে পারে। লিঙ্গের অগ্রভাগ (লিঙ্গমুন্ড), মূত্রছিদ্র, যোনি পথ, যোনিদ্বার এবং পায়ু – এইসব অঞ্চলের মিউকাস পর্দা সাবান ব্যবহারের ফলে ড্রাই হয়ে যায়। দীর্ঘদিন এমন হতে থাকলে নানান সমস্যা যেমন চুলকানি, যন্ত্রনা, জীবাণু সংক্রমণ, মলদ্বারের ত্বক ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ ইত্যাদি হতে পারে। উপরন্তু ওইসব অঞ্চলে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের ভারসাম্য সাবান ব্যবহারের ফলে বিঘ্নিত হয়, যার থেকে যৌনাঙ্গে ব্যালানাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এইজন্যেই উপরে বর্ণিত অঞ্চলে সাবান ব্যবহার না করতে বলা হয়। তবে যৌনাঙ্গের আশেপাশের অঞ্চলে সাবান ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যেন সাবান জল লিঙ্গের অগ্রভাগ, যোনিদ্বার, যোনি বা পায়ুতে না পৌঁছয়। আর সাবান কেনার সময় অবশ্যই দেখে নেবে সেটা যেন মাইল্ড সাবান হয়। লাক্স সাবানের pH কত সেটা যেহেতু জানিনা, তাই বলতে পারব না সেটা মাইল্ড কি না। তবে শুনেছি যে “ডাভ” সাবান pH নিউট্রাল (আমরা পরীক্ষা করে দেখিনি)। ত্বকে সাবান কম ব্যবহার করাই সব থেকে ভাল।

pH ই তো বোঝতে পারছি না বা দোকানদারও বোঝতে পারছে না?
pH মান থেকে বোঝা যায় কোন জিনিস অম্লধর্মী (acidic) না ক্ষারধর্মী (alkaline)। যেমন চুনগোলা জলের pH প্রায় ১০ এর বেশি, যার মানে চুন জল ক্ষারধর্মী। অপরপক্ষে ভিনিগারের pH মান ৭ এর কম, অর্থাৎ ভিনিগার অম্লধর্মী। জলের pH মান হল ৭, যার অর্থ জল না অম্লধর্মী না ক্ষারধর্মী। যেসব সাবানের pH জলের সমান তাদের বলা হয় মাইল্ড সাবান। উদাহরণ আগের দুটো কমেন্টেই দিয়েছি (ডাভ সাবান)।

সব মেয়েদের কি যৌনাঙ্গ তাদের শরীরের তুলনায় কাল হয় নাকি?
সেটা তো বলা সম্ভব নয় বন্ধু! তবে অধিকাংশ মহিলার যৌনাঙ্গের রং প্রাকৃতিক কারণেই শরীরের বাকি অংশের তুলনায় খনিকটা গাঢ় হয়। এটা স্বাভাবিক ঘটনা। তাতে সত্যিই কি কিছু যায় আসে?

ট্রিমিং মেশিন দিয়ে যৌনাঙ্গের কেশ বা পিউবিক চুল (pubic hair) সেভ করার কারণে কি আমার ত্বকের ক্ষতি হতে পারে ?
যেমন – এটাতে একদম ক্লিন করা যায় সহজে আবার ক্লিন না করে আলতো ভাবেও কাটা যায়। এখন এগুলো দিয়ে কি কোন ধরণের ইফেক্ট পড়বে ত্বকে, বিশেষ করে ক্লিন করার অংশটা দিয়ে ? এ সর্ম্পকে কি একটু ব্যাখ্যা করবেন?

যৌনাঙ্গের কেশ বা পিউবিক চুল (pubic hair) সেভ করার বদলে ট্রিম করা ভাল। তবে বিশেষ উপলক্ষ্যে প্রয়োজন হলে সুন্দর চকচকে লুক পাবার জন্য সেভিং করতেই পার।

Next Post About >> ছেলেদের যৌনাঙ্গ ফর্সা করার উপায়

Share and Spread the love to TechsamirBD

One thought on “মেয়েদের যৌনাঙ্গ ফর্সা করার উপায়

Leave a Reply

%d bloggers like this: